1. faijulmunet@gmail.com : faijulmunet :
  2. cablab98@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
  3. cablab97@gmail.com : Tahmima Akther Iva : Tahmima Akther Iva
       
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন

পশ্চিমা অবাস্তব রুশনীতি কি ইউক্রেনের বিপদ বাড়াচ্ছে?

  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে পশ্চিমা রাজনীতিতে ক্রমবর্ধমান বিভাজন দেশটিকে জটিল এক কূটনৈতিক অবস্থায় ফেলেছে । একদিকে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউরোপের কিছু কট্টর ডানপন্থী নেতা, যারা ইউক্রেন প্রশ্নে তুলনামূলকভাবে সংঘাত এড়ানোর অবস্থান নিচ্ছেন। অন্যদিকে, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের একদল কট্টর রুশবিরোধী নীতিনির্ধারক দ্রুত শান্তি আলোচনার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে যুক্তি দিচ্ছেন। কাতারভত্তিকি গনমাধ্যম আল জাজিরায় এই বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়।

জার্মানিতে আসন্ন মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সামনে রেখে সম্মেলনের সাবেক চেয়ারম্যান ভলফগ্যাং ইশিঙ্গার বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হলে ইউরোপের জন্য রাশিয়ার হুমকি বাড়তে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের সমালোচনা করে বার্লিনে ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত আন্দ্রি মেলনিক বলেন, ইউক্রেনকে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মধ্যে রেখে ইউরোপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ধারণা নৈরাশ্যজনক এবং ইউক্রেনের জরুরি ভিত্তিতে যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন।

ইউরোপের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র, বিশেষ করে যুক্তরাজ্য, এখনো দ্রুত শান্তি আলোচনার ব্যাপারে অনীহা দেখাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাম্প্রতিক বৈঠক নিয়েও একই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পিটার সিজিয়ার্তো দাবি করেন, বৈঠকে কয়েকজন মন্ত্রী প্রকাশ্যে বলেছেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখনো শান্তি আলোচনার জন্য প্রস্তুত নয়।

বিশ্লেষণে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমা শক্তিগুলো ইউক্রেনকে বাস্তবসম্মত সমঝোতা থেকে দূরে রেখেছে। এর ফলে ২০১৫ সালের মিনস্ক চুক্তি বা ২০২২ সালের ইস্তাম্বুল আলোচনার সময় যে শান্তির সম্ভাবনা ছিল, তা এখন আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে রাশিয়া ন্যাটো দেশগুলোর ওপর সরাসরি হামলা চালাবে, এমন আশঙ্কাকেও অতিরঞ্জিত হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ এতে পারমাণবিক সংঘাতের ঝুঁকি রয়েছে।

২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর আগে মিউনিখ সম্মেলনে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছিলেন, রাশিয়াকে ব্যর্থ হতে হবে। পরে তিনি ইস্তাম্বুল শান্তি আলোচনায় বাধা দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একই বছর পোল্যান্ডে ভাষণে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এর ক্ষমতায় থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

পর্যবেক্ষকদের মতে, যুদ্ধ নিয়ে অতিরঞ্জিত বক্তব্য ও অবাস্তব প্রত্যাশা পশ্চিমা নীতিকে জটিল করেছে। দীর্ঘসূত্রতা ইউক্রেনের জন্য মানবিক ও অর্থনৈতিক মূল্য বাড়াচ্ছে, যার প্রধান বোঝা বহন করছে দেশটির জনগণ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © কালেরধারানিউজ২৪
Designed By Barishal Host