1. faijulmunet@gmail.com : faijulmunet :
  2. cablab98@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
  3. cablab97@gmail.com : Tahmima Akther Iva : Tahmima Akther Iva
       
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
এখন নির্ভয়ে কথা বলা যায়: রিজভী আরও দুটি স্বর্ণ জিতে রানার্সআপ বাংলাদেশ চীনের সিছুয়ানে বিরল খনিজের বিশাল মজুত সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের দায় এড়াতে পারে না সরকার: জামায়াতে ইসলামী কূটনীতিকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় বিশ্বজুড়ে লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির শঙ্কা ‘জুলাই সনদে বিএনপির একমত হওয়া বিষয়গুলো বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’ রাজধানীর সদরঘাটে লঞ্চ সংঘর্ষে একজনের মর্মান্তিক মৃত্যু এবং বগুড়ার আদমদীঘিতে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয়ে বহু মানুষের আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক, দুঃখ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি শোক প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, সদরঘাটের দুর্ঘটনায় নিহত মো. সোহেল (২২)-এর মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। এমন মর্মান্তিক দৃশ্য সত্যিই সহ্য করা কঠিন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের দ্রুত সন্ধান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। একইসঙ্গে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত সকল যাত্রীর আশু আরোগ্য কামনা করছি। তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক এই দুটি ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা নয়; বরং দেশের পরিবহন ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অবহেলা এবং দুর্বল তদারকির প্রতিফলন। সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের অধিকার এখনও নিশ্চিত হয়নি, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মৌলিক দায়িত্ব। পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে প্রতিবছরের মতো এবারও যাত্রী চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা পূর্বানুমেয় ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেখা যাচ্ছে, এই সময়ে পরিবহন ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি, সতর্কতা ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা হয়নি। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, সড়কে চাঁদাবাজি এবং যাত্রীদের সীমাহীন ভোগান্তি—এসব সমস্যার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। গোলাম পরওয়ার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এসব দুর্ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ঈদযাত্রা উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, আসন্ন ঈদযাত্রার বাকি দিনগুলো এবং ঈদের পর ফেরার সময়কে সামনে রেখে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন নিশ্চিত করতে হবে। সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করে যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে হবে। পরিশেষে তিনি মহান আল্লাহ তা’য়ালার কাছে নিহতদের মাগফিরাত কামনা করেন, তাদের পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তাওফিক প্রার্থনা করেন এবং আহতদের দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঘোষিত সময়ে চালু হলো সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের আইসিইউ ব্যবহারকারীদের এনগেজমেন্ট বাড়াতে টিকটক ও মেটার ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত

জুলাই সনদ তরুণদের রক্ত দিয়ে তৈরি, ‘হ্যাঁ’ ভোট দেশের ভবিষ্যৎ: আলী রীয়াজ

  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪০ বার দেখা হয়েছে

 

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ‘জুলাই সনদে মানুষের মুক্তির কথা বলা হয়েছে। একটি জবাবদিহিমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কথা বলা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন, বিচার বিভাগ এবং সরকারি কর্ম কমিশন স্বাধীন করার কথা বলা হয়েছে। জুলাই সনদে এমন কিছু নেই, যা আপনি সাধারণ মানুষকে বোঝাতে পারবেন না।’

সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সভার আয়োজন করে।

আলী রীয়াজ বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ যে পরিবর্তন চায় তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে আপনারা। আপনারা যখন ডাক দিয়েছেন, দেশের মানুষ তখন রাস্তায় নেমে এসেছে কী কারণে? এসেছে, কারণ তারা পরিবর্তন চায়, আপনাদের ওপর তারা আস্থা রেখেছে। এক-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠী ৩৭ বছরের নিচে। যে ১৩ কোটি ভোটার আছে তার মধ্যে পৌনে ৫ কোটি ভোটারই হচ্ছে ৩৭ বছরের নিচে। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ তাদের হাতেই গড়ে উঠবে। সেজন্য আমি তরুণদের বলছি, জুলাই জাতীয় সনদ শুধু একটা দলিল নয়, এটা তোমার এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। কারণ এটা তরুণদের রক্ত দিয়ে তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতে তরুণরা যাতে জবাবদিহিমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় জীবনযাপন করতে পারে, নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়, সুরক্ষিত হয় সেজন্য গণভোটে হ্যাঁ হলো সেই লড়াইয়ের অংশ।’

শহীদদের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা যে বয়সেরই হই না কেন শহীদদের আত্মদানকে যদি আমরা যথার্থ মনে করি, যদি কোনও দায় অনুভব করি তবে দুই-পাঁচ জনকে আপনি গণভোটের কথা বলুন। গত ৫৫ বছরে বাংলাদেশে যে সুযোগ তৈরি হয়নি সে সুযোগ কাজে লাগানোর এখনই সময়।’

জুলাইযোদ্ধাদের কাছে আমাদের কী কোনও দায় নেই এমন প্রশ্ন রেখে তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ে যারা আহত হয়েছেন তারা অনেকেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারছেন না, হয়তো কখনও পারবেন না। যারা দেশের জন্য প্রাণ দিতে রাজি হয়েছিল তাদের জন্য আমাদের কোনও দায় থাকবে না, এটা হতে পারে না। আমরা কী অপেক্ষা করবো- সরকার কী বলবে? রাজনীতিবিদ কী বলবে? মঞ্জুরি কমিশন কী বলবে? এনজিও কী বলবে? তার জন্য। কাজেই বাংলাদেশের পরিবর্তন চাইলে সরকারি ঘোষণার ওপর নির্ভর না করে প্রত্যেককে নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে গণভোটে হ্যাঁ’র প্রচারে অংশ নিতে অনুরোধ করছি আমি।’

৩০টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নয় মাস ধরে বহুবার আলোচনার পরও গণভোটের প্রয়োজন হচ্ছে কেন সে বিষয়ে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমরা সকলে রাজনীতি করি না। সর্বোপরি সংবিধানের সাত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে প্রজাতন্ত্রের মালিক হচ্ছে জনগণ। তাদের সার্বভৌম অভিপ্রায়ের প্রকাশ ঘটেছে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে। আমরা আরেকবার সেই অভিপ্রায়ের প্রকাশ দেখতে চাই। যাতে ভবিষ্যতে এগুলো সুরক্ষা করা যায়। সেই সুরক্ষার জন্য, সেই প্রচেষ্টার জন্য আমাদের প্রত্যেকের ভূমিকা আছে।’

তিনি বলেন, ‘সংসদ নির্বাচনের ব্যালট সাদা আর গণভোটের ব্যালট গোলাপি। গণভোটের মার্কা হচ্ছে টিক চিহ্ন। যারা শুধু মার্কা দিয়ে বুঝতে চায়, তাদের সেটাই বোঝান। এই সুযোগ হেলায় হারানো যাবে না, অনেক প্রাণ, অনেক আত্মদান এবং অনেক কিছুর বিনিময়ে আমরা এটি পেয়েছি।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য ড. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য, ছাত্রপ্রতিনিধি, আহত জুলাইযোদ্ধা এবং জুলাই শহীদ সাকিব আনজুমের বাবা মো. মাইনুল হক প্রমুখ সভায় বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সুধীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

রাজধানীর সদরঘাটে লঞ্চ সংঘর্ষে একজনের মর্মান্তিক মৃত্যু এবং বগুড়ার আদমদীঘিতে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয়ে বহু মানুষের আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক, দুঃখ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি শোক প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, সদরঘাটের দুর্ঘটনায় নিহত মো. সোহেল (২২)-এর মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। এমন মর্মান্তিক দৃশ্য সত্যিই সহ্য করা কঠিন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের দ্রুত সন্ধান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। একইসঙ্গে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত সকল যাত্রীর আশু আরোগ্য কামনা করছি। তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক এই দুটি ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা নয়; বরং দেশের পরিবহন ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অবহেলা এবং দুর্বল তদারকির প্রতিফলন। সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের অধিকার এখনও নিশ্চিত হয়নি, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মৌলিক দায়িত্ব। পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে প্রতিবছরের মতো এবারও যাত্রী চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা পূর্বানুমেয় ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেখা যাচ্ছে, এই সময়ে পরিবহন ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি, সতর্কতা ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা হয়নি। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, সড়কে চাঁদাবাজি এবং যাত্রীদের সীমাহীন ভোগান্তি—এসব সমস্যার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। গোলাম পরওয়ার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এসব দুর্ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ঈদযাত্রা উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, আসন্ন ঈদযাত্রার বাকি দিনগুলো এবং ঈদের পর ফেরার সময়কে সামনে রেখে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন নিশ্চিত করতে হবে। সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করে যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে হবে। পরিশেষে তিনি মহান আল্লাহ তা’য়ালার কাছে নিহতদের মাগফিরাত কামনা করেন, তাদের পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তাওফিক প্রার্থনা করেন এবং আহতদের দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেন।

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © কালেরধারানিউজ২৪
Designed By Barishal Host