1. faijulmunet@gmail.com : faijulmunet :
  2. cablab98@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
  3. cablab97@gmail.com : Tahmima Akther Iva : Tahmima Akther Iva
       
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
এখন নির্ভয়ে কথা বলা যায়: রিজভী আরও দুটি স্বর্ণ জিতে রানার্সআপ বাংলাদেশ চীনের সিছুয়ানে বিরল খনিজের বিশাল মজুত সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের দায় এড়াতে পারে না সরকার: জামায়াতে ইসলামী কূটনীতিকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় বিশ্বজুড়ে লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির শঙ্কা ‘জুলাই সনদে বিএনপির একমত হওয়া বিষয়গুলো বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’ রাজধানীর সদরঘাটে লঞ্চ সংঘর্ষে একজনের মর্মান্তিক মৃত্যু এবং বগুড়ার আদমদীঘিতে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয়ে বহু মানুষের আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক, দুঃখ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি শোক প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, সদরঘাটের দুর্ঘটনায় নিহত মো. সোহেল (২২)-এর মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। এমন মর্মান্তিক দৃশ্য সত্যিই সহ্য করা কঠিন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের দ্রুত সন্ধান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। একইসঙ্গে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত সকল যাত্রীর আশু আরোগ্য কামনা করছি। তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক এই দুটি ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা নয়; বরং দেশের পরিবহন ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অবহেলা এবং দুর্বল তদারকির প্রতিফলন। সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের অধিকার এখনও নিশ্চিত হয়নি, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মৌলিক দায়িত্ব। পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে প্রতিবছরের মতো এবারও যাত্রী চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা পূর্বানুমেয় ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেখা যাচ্ছে, এই সময়ে পরিবহন ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি, সতর্কতা ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা হয়নি। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, সড়কে চাঁদাবাজি এবং যাত্রীদের সীমাহীন ভোগান্তি—এসব সমস্যার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। গোলাম পরওয়ার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এসব দুর্ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ঈদযাত্রা উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, আসন্ন ঈদযাত্রার বাকি দিনগুলো এবং ঈদের পর ফেরার সময়কে সামনে রেখে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন নিশ্চিত করতে হবে। সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করে যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে হবে। পরিশেষে তিনি মহান আল্লাহ তা’য়ালার কাছে নিহতদের মাগফিরাত কামনা করেন, তাদের পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তাওফিক প্রার্থনা করেন এবং আহতদের দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঘোষিত সময়ে চালু হলো সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের আইসিইউ ব্যবহারকারীদের এনগেজমেন্ট বাড়াতে টিকটক ও মেটার ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত

সেকেলে যুদ্ধবিমান দিয়ে লড়ছে ইরান

  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিশালী শত্রুর বিরুদ্ধে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে ইরান তার জরাজীর্ণ বিমান বাহিনীকে ময়দানে নামিয়েছে। কিন্তু তেহরানের এই বহর যেন কোনও বিমান বাহিনীর চেয়ে বরং ‘উড়ন্ত জাদুঘর’ হিসেবেই বেশি মানানসই। কয়েক দশক পুরনো এসব বিমান কোনোমতে জোড়াতালি দিয়ে টিকিয়ে রাখা হলেও আধুনিক প্রযুক্তির সামনে সেগুলো স্রেফ লক্ষ্যবস্তু ছাড়া আর কিছুই নয়।

গত শনিবারে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে ইরান নিজের সেকেলে বিমান, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আকাশপথের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে। গত রবিবারে কুয়েতের আকাশে ইরানের কারণে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি এফ-১৫ বিমান ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’-এ ভূপাতিত হয়। তবে এর পরের দিনই কাতার বিমান বাহিনীর এক পাইলট ইরানের দুটি সুখোই সু-২৪ বোমারু বিমান ভূপাতিত করেন। রাশিয়ার তৈরি এই বিমানগুলো সত্তর দশকের শুরুতে প্রথম বাহিনীগুলোতে মোতায়েন শুরু করেছিল, যার উৎপাদন বন্ধ হয়েছে ৩০ বছরেরও বেশি সময় আগে।

ইরানের বিমান বহরের বড় অংশই ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের আগে শাহ শাসনামলের কেনা। দশকের পর দশক ধরে চলা নিষেধাজ্ঞার কারণে খুচরা যন্ত্রাংশের অভাবে এগুলো জীর্ণ হয়ে পড়েছে। যুদ্ধের ময়দানে নামার আগেই অনেক বিমান যান্ত্রিক ত্রুটিতে বিধ্বস্ত হচ্ছে। গত রবিবার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাবরিজ বিমানবন্দরে উড্ডয়নের প্রস্তুতির সময় ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হয় ভিয়েতনাম যুদ্ধের আমলের একটি এফ-৪ ফ্যান্টম-২ এবং একটি এফ-৫ লাইট ফাইটার। ষাটের দশকের এই এফ-৪ ফ্যান্টম-২ প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে উৎপাদনহীন।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা সাবেক রুশ বিমান বাহিনী কর্মকর্তা গ্লেব আইরিসভ ২০২০ সালে সিরিয়ার আকাশে ইরানের এই পুরনো এফ-৪ দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন। তিনি বলেন, “এত পুরনো মডেল দেখে আমি ধাক্কা খেয়েছিলাম। মনে হচ্ছিল যেন অতীতের কোনও প্রেতাত্মা উড়ে বেড়াচ্ছে।”

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে অত্যাধুনিক এফ-৩৫ এর মতো স্টিলথ বিমান ব্যবহার করছে, যা রাডার ফাঁকি দিয়ে ইরানের আকাশে নির্বিঘ্নে প্রবেশ করতে পারে। ঘণ্টায় ১ হাজার ২২০ মাইল বেগে উড়তে সক্ষম এই বিমানগুলো ইরানের ওপর হাজার হাজার হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এবং শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের পাশাপাশি বহু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের ইয়াক-১৩০ মডেলটি ২০২৩ সালে কেনা হলেও এটি মূলত একটি প্রশিক্ষণ বিমান, যার গতি এফ-৩৫ এর অর্ধেক। যন্ত্রাংশের জন্য তেহরানকে কালোবাজারি বা মধ্যস্থতাকারীদের ওপর চড়া কমিশন দিয়ে নির্ভর করতে হয়। এই জরাজীর্ণ দশা কেবল ফাইটার জেটে নয়, হেলিকপ্টার বহরেও দৃশ্যমান। সম্প্রতি ইস্পাহানের সবজি বাজারের ওপর বিধ্বস্ত হওয়া এএইচ-১জে সুপার কোবরা হেলিকপ্টারটি ১৯৭১ সালে কেনা হয়েছিল। ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি যে বেল ২১২ হেলিকপ্টারে প্রাণ হারিয়েছিলেন, সেটিও ১৯৬৮ সালের নকশা করা।

বিমান বাহিনীর দুর্বলতা ঢাকতে ইরান গত কয়েক দশক ধরে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কর্মসূচির ওপর বাজি ধরেছিল। কিন্তু জুন মাসের যুদ্ধ প্রমাণ করেছে যে, শক্তিশালী বিমান বাহিনীর বিকল্প কেবল ক্ষেপণাস্ত্র হতে পারে না। চ্যাটানুগার টেনিসি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইরান বিশেষজ্ঞ সাঈদ গোলকার বলেন, “ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বিমান বাহিনীর অভাব পূরণ করা যাবে, ইরানি শাসনব্যবস্থার এই ধারণা ছিল চরম বোকামি।”

বর্তমানে ইরান তুরস্ক থেকে ওমান পর্যন্ত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালেও তা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে পারছে না। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তো দূরের কথা, তেহরান এখন নিজের আকাশসীমার সুরক্ষাই দিতে পারছে না। কয়েক দশকের নিষেধাজ্ঞা ও প্রযুক্তির অভাবে ইরানের নিজস্ব যুদ্ধবিমান তৈরির চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে।

নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে তেহরান এখন তার ভগ্নপ্রায় বিমান বাহিনীকে নিয়ে মরণকামড় দেওয়ার চেষ্টা করলেও, আধুনিক প্রযুক্তির উৎকর্ষে ভিয়েতনাম যুগের এই ‘ভুতুড়ে’ বহর আকাশপথের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হচ্ছে।

সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

রাজধানীর সদরঘাটে লঞ্চ সংঘর্ষে একজনের মর্মান্তিক মৃত্যু এবং বগুড়ার আদমদীঘিতে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয়ে বহু মানুষের আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক, দুঃখ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি শোক প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, সদরঘাটের দুর্ঘটনায় নিহত মো. সোহেল (২২)-এর মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। এমন মর্মান্তিক দৃশ্য সত্যিই সহ্য করা কঠিন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের দ্রুত সন্ধান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। একইসঙ্গে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত সকল যাত্রীর আশু আরোগ্য কামনা করছি। তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক এই দুটি ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা নয়; বরং দেশের পরিবহন ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অবহেলা এবং দুর্বল তদারকির প্রতিফলন। সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের অধিকার এখনও নিশ্চিত হয়নি, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মৌলিক দায়িত্ব। পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে প্রতিবছরের মতো এবারও যাত্রী চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা পূর্বানুমেয় ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেখা যাচ্ছে, এই সময়ে পরিবহন ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি, সতর্কতা ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা হয়নি। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, সড়কে চাঁদাবাজি এবং যাত্রীদের সীমাহীন ভোগান্তি—এসব সমস্যার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। গোলাম পরওয়ার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এসব দুর্ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ঈদযাত্রা উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, আসন্ন ঈদযাত্রার বাকি দিনগুলো এবং ঈদের পর ফেরার সময়কে সামনে রেখে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন নিশ্চিত করতে হবে। সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করে যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে হবে। পরিশেষে তিনি মহান আল্লাহ তা’য়ালার কাছে নিহতদের মাগফিরাত কামনা করেন, তাদের পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তাওফিক প্রার্থনা করেন এবং আহতদের দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেন।

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © কালেরধারানিউজ২৪
Designed By Barishal Host