ইরান যুদ্ধের জেরে বিশ্বব্যাপী বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার কিছু তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি, অনেক দেশ নিজেদের মজুত থেকে তেল বাইর করছে। জ্বালানি তেলে যখন এমন অস্থিরতা ঠিক তখনই রাশিয়ার একটি তেল শোধনাগারে হামলা চালালো ইউক্রেন। খবর রয়টার্সের।
প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থাটি জানিয়েছে, রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ ক্রাসনোদারের একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। দেশটির স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ মার্চ) গভীর রাতে এ হামলা চালানো হয় বলে শনিবার সকালে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এ ড্রোন হামলায় কয়েকজন আহত ও তেল শোধনাগারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে ক্রাসনোদার কর্তৃপক্ষ বলছে, কাভকাজ বন্দরে থাকা তেল শোধনাগারে হামলায় তিনজন আহত হয়েছে।
বিবৃতির অনুযায়ী, একটি সার্ভিস জাহাজ এবং পিয়ার কমপ্লেক্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অপর একটি বিবৃতিতে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ড্রোন হামলার পর ওই অঞ্চলের আফিপস্কি তেল শোধনাগারে আগুন লেগেছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, শুক্রবার রাতে তারা ইউক্রেনের ৮৭টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে আজভ সমুদ্রের ওপর থেকে ৩১টি ও ক্রাসনোদার প্রদেশে ১৬টি ভূপাতিত করা হয়েছে।
এদিকে, আজ ইরানের খার্গ দ্বীপে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) স্থাপনাকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করছে ওয়াশিংটন। তাদের এ হামলায় জ্বালানি অবকাঠামোতে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে দাবি করছে ইরান। দেশটির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, হামলা খার্গ দ্বীপের তেল রফতানির কার্যক্রমে কোনও প্রভাব ফেলেনি। ইরানের মোট তেল রফতানির ৯০ শতাংশই হয় এ দ্বীপ থেকে।
Leave a Reply